শক্তি
শক্তির উৎস
মূলত আমাদের পৃথিবীর শক্তির একমাত্র উৎস হচ্ছে সূর্য। আমাদের পৃথিবীতে যত প্রকার কাজ হচ্ছে তার একমাত্র উৎস হচ্ছে সূর্য শক্তি।
শক্তির রূপান্তর
আমি এখানে দু চারটা উদাহরন দিচ্ছি। যেমন : আমরা লাইট,fan জালাই। এগুলো চলে বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে। এ বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন হয় কাপ্তাই হ্রদের পানির শক্তি কে কাজে লাগিয়ে। আর সূর্যের তাপেই নিচে নেমে যাওয়া পানি উপরে উঠে যা পরে বৃস্টিরূপে আবার কাপ্তাই হ্রদকে পূর্ণ করে।
এরপর আসি এই যে আমরা বেঁচে আছি, হাত পা নাড়াচ্ছি আমাদের এই শক্তি আসে খাদ্য শক্তি থেকে। খাবার হিসাবে আমরা ফলমূল বা শাকসবজি খাই যা গাছ থেকে আসে আর সূর্য থেকে আসা আলোক রশির সাহায্যে গাছের পাতায় সালোকসংস্লেশন শুরু হয় যার সাহায্যে গাছ খাদ্য উৎপন্ন করে।
এরপর আসি এই যে আমরা যানবাহন,গাড়িঘোড়া চালাই এগুলো চলে পেট্রোল,ডিসেল দিয়ে। এখন জীব-জন্তু মারা গেলে বা গাছপালা,কাঠ-কয়লা এগুলো মাটির নিচে কোটি কোটি বছর ধরে চাপা পড়ে থাকার ফলে তৈরি হয় ডিসেল,কয়লা,গ্যাস প্রভৃতি জীবাশ্ন জালানি। আর আগেই বলেছি এই জীব-জন্তুর খাবার আসে বৃক্ষ থেকে। বৃক্ষে খাবার তৈরি হয় সূর্যালোকের সাহায্যে। এভাবে বলে শেষ করা যাবে না।
এরপর আসি এই যে আমরা বেঁচে আছি, হাত পা নাড়াচ্ছি আমাদের এই শক্তি আসে খাদ্য শক্তি থেকে। খাবার হিসাবে আমরা ফলমূল বা শাকসবজি খাই যা গাছ থেকে আসে আর সূর্য থেকে আসা আলোক রশির সাহায্যে গাছের পাতায় সালোকসংস্লেশন শুরু হয় যার সাহায্যে গাছ খাদ্য উৎপন্ন করে।
এরপর আসি এই যে আমরা যানবাহন,গাড়িঘোড়া চালাই এগুলো চলে পেট্রোল,ডিসেল দিয়ে। এখন জীব-জন্তু মারা গেলে বা গাছপালা,কাঠ-কয়লা এগুলো মাটির নিচে কোটি কোটি বছর ধরে চাপা পড়ে থাকার ফলে তৈরি হয় ডিসেল,কয়লা,গ্যাস প্রভৃতি জীবাশ্ন জালানি। আর আগেই বলেছি এই জীব-জন্তুর খাবার আসে বৃক্ষ থেকে। বৃক্ষে খাবার তৈরি হয় সূর্যালোকের সাহায্যে। এভাবে বলে শেষ করা যাবে না।





