Tuesday, October 6, 2015

 

শক্তি 

শক্তির উৎস

মূলত আমাদের পৃথিবীর শক্তির একমাত্র উৎস হচ্ছে সূর্য। আমাদের পৃথিবীতে যত প্রকার কাজ হচ্ছে তার একমাত্র উৎস হচ্ছে সূর্য শক্তি।

শক্তির রূপান্তর

আমি এখানে দু চারটা উদাহরন দিচ্ছি। যেমন : আমরা লাইট,fan জালাই। এগুলো চলে বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে। এ বিদ্যুৎশক্তি উৎপন্ন হয় কাপ্তাই হ্রদের পানির  শক্তি কে কাজে লাগিয়ে। আর সূর্যের তাপেই নিচে নেমে যাওয়া পানি উপরে উঠে যা পরে বৃস্টিরূপে আবার কাপ্তাই হ্রদকে পূর্ণ করে।
 এরপর আসি এই যে আমরা বেঁচে আছি, হাত পা নাড়াচ্ছি আমাদের এই শক্তি আসে খাদ্য শক্তি থেকে। খাবার হিসাবে আমরা ফলমূল বা শাকসবজি খাই যা গাছ থেকে আসে আর সূর্য থেকে আসা আলোক রশির সাহায্যে গাছের পাতায় সালোকসংস্লেশন শুরু হয় যার সাহায্যে গাছ খাদ্য উৎপন্ন করে।
এরপর আসি এই যে আমরা যানবাহন,গাড়িঘোড়া চালাই এগুলো চলে পেট্রোল,ডিসেল দিয়ে। এখন জীব-জন্তু মারা গেলে বা গাছপালা,কাঠ-কয়লা এগুলো মাটির নিচে কোটি কোটি বছর ধরে চাপা পড়ে থাকার ফলে তৈরি হয় ডিসেল,কয়লা,গ্যাস প্রভৃতি জীবাশ্ন জালানি। আর আগেই বলেছি এই জীব-জন্তুর খাবার আসে বৃক্ষ থেকে। বৃক্ষে খাবার তৈরি হয় সূর্যালোকের সাহায্যে। এভাবে বলে শেষ করা যাবে না।

 

 শক্তি তৈরি

এখন তাহলে সূর্যে শক্তি আসে কোথা থেকে? মূলত সূর্যে প্রতি নিয়ত ডিউটেরন(H এর আইসোটপ) এর সাথে 800kms^-1 বেগ সম্পূর্ণ ট্রাইটীয়াম (H এর আরেকটা আইসোটোপ) এর সংঘর্ষ হয়। যার ফলে উৎপন্ন হয় He আর n আর শক্তি।

শেষ কথা

এই শক্তি দিয়েই আমাদের পৃথিবী এখনো টিকে আছে। সূর্যের এখন যৌবন কাল চলছে। যেদিন সূর্যের এ শক্তি শেষ হয়ে যাবে সেদিন পৃথিবী আর থাকবে না। সূর্যের এ শক্তি বিভিন্ন ভাবে পরিবর্তীত হয়ে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়ে আসছে। একেই বলে শক্তির রুপান্তর।

Monday, October 5, 2015

আজকেই blogging site টা খুললাম।কি নিয়ে post করব বুজতেছিনা...। তাই ভাবলাম স্বপ্ন নিয়েই কিছু লিখি

স্বপ্ন
স্বপ্ন দুই প্রকার। 
ভাল স্বপ্ন,আরেকটা হচ্ছে খারাপ স্বপ্ন মানে দুঃসবপ্ন আর কি..
 স্বপ্ন যে রকম ই হক না কেন তার ব্যপ্তিকাল কিন্তু ৮ সেকেন্ড। হ্যা ৮ সেকেন্ড। এই ৮ সেকেন্ডেই আমরা স্বপ্নে দুনিয়া ঘুরি,সুপারম্যান হয়ে যাই,ধনী হয়ে যাই,ভূত প্রেত দেখি,বা কোন প্রিয় মানুষ কে দেখি। স্বপ্ন সাদাকালো হয়। সপ্ন দেখার পর জেগে উঠে কেওই বলতে পারবে না তার সবপ্নের কোন বস্তুর রঙ কি ছিল। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে স্বপ্নে আমরা হাজার চেস্টা করেও নড়াচড়া করতে পারি না। স্বপ্ন দেখার সময় আমাদের সারা শরীর স্থির হয়ে থাকে কিন্তু চোখ দ্রুত নড়াচড়া করে

১৯৪০-এর দশক থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত ক্যালভিন এস হল পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি স্বপ্ন সম্বন্ধীয় প্রতিবেদন সংগ্রহ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইয়োতে অবস্থিত কেইস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটিতে পেশ করেন। ১৯৬৬ সালে হল এবং ভ্যান দ্য ক্যাসল দ্য কন্টেন্ট এনালাইসিস অফ ড্রিমস নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশ করেন। গ্রন্থে তাঁরা কোডিং পদ্ধতির মাধ্যমে এক হাজার কলেজ ছাত্রের স্বপ্নের প্রতিবেদন তুলে ধরেছেন। সেখানে তাঁরা দেখিয়েছেন যে, সমগ্র বিশ্বের জনগণ সাধারণত একই ধরনের বিষয় নিয়ে স্বপ্ন দেখে।

ব্যাস..এটুকুই এবার post করে দেখি কি হয় :)